এইতো কয়েক দিন আগে সকলের তৎপরতায় কানাজাওয়া স্পোর্টস ক্লাবের মনোরম পরিবেশে আয়োজন করা হয় নতুন আর পুরাতনের পরিচিতি আড্ডা। সকালে কয়েকটা গাড়িতে করে সবাইকে নিয়ে যাওয়া হয় অনুষ্ঠানস্থলে। বারবিকিউ, খেলাধুলা আর আড্ডায় দিনব্যাপী চলে নতুন-পুরানের মেলবন্ধন। আশিক ভাইয়ের সুরেলা কণ্ঠে ক্ষণে ক্ষণে গেয়ে ওঠা বাংলা গানের লাইন মন ছুঁয়ে যায় সবার।
খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে দিনব্যাপী মাহিব ভাই, ফয়সাল, শাহ আলম ভাই আর মামুন ভাইদের ফটো শুটিং ছিল চোখে পড়ার মতো। খুব চটপটে আর ক্রিকেট ভক্ত শফিক ভাই কিছুক্ষণ পর পর মজার সব জোকস নিয়ে হাজির হতেন। এর ফাঁকেই হয়ে যায় সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলা। যার আয়োজনে ছিলেন কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক হাসিখুশি সুমন ভাই আর চুপচাপ রাসেল ভাই। সঙ্গে যোগ দেন প্রাণবন্ত ফয়সাল, শফিক আর মামুন ভাই। তালহা ভাইয়ের হাতের জাদু আর সময় নিয়ে পোড়ানো খাসির মাংসের স্বাদ বারবিকিউয়ে তৃপ্তি যেন বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েকগুণ।
অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ অবধি সোহেল ভাইয়ের ছোটাছুটি আর সবার খোঁজ খবর রাখা থেকে বাদ যায়নি কেউ। সঙ্গে ভাবির চঞ্চলতা আর সবাইকে নিয়ে ফটো শুটিং ছিল চোখে পড়ার মতো। অপুদা আর রাখিদির দেরিতে আগমন হলেও প্রাণবন্ততায় মুখর করে রেখেছিলেন সারা দিন। সারা দিনই বারবিকিউ আর নুডলস রান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকা আনোয়ার ভাই আর ভাবি সব শেষে হাজির হয়েছিলেন বিংগু খেলার আসর সাজিয়ে। সবাই কিছু না কিছু উপহার পেয়ে যার পর নাই খুশি। হঠাৎ রফিক ভাইয়ের ভরাট গলায় গেয়ে ওঠা বাংলা ছবির প্যারোডি গান সবার দৃষ্টি ফেরায় তাঁর দিকে। আনন্দে আড্ডায় পাহাড় ঘেরা স্পোর্টস ক্লাবে কখন যেন নেমে আসে সন্ধ্যা।
খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে দিনব্যাপী মাহিব ভাই, ফয়সাল, শাহ আলম ভাই আর মামুন ভাইদের ফটো শুটিং ছিল চোখে পড়ার মতো। খুব চটপটে আর ক্রিকেট ভক্ত শফিক ভাই কিছুক্ষণ পর পর মজার সব জোকস নিয়ে হাজির হতেন। এর ফাঁকেই হয়ে যায় সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলা। যার আয়োজনে ছিলেন কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক হাসিখুশি সুমন ভাই আর চুপচাপ রাসেল ভাই। সঙ্গে যোগ দেন প্রাণবন্ত ফয়সাল, শফিক আর মামুন ভাই। তালহা ভাইয়ের হাতের জাদু আর সময় নিয়ে পোড়ানো খাসির মাংসের স্বাদ বারবিকিউয়ে তৃপ্তি যেন বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েকগুণ।
অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ অবধি সোহেল ভাইয়ের ছোটাছুটি আর সবার খোঁজ খবর রাখা থেকে বাদ যায়নি কেউ। সঙ্গে ভাবির চঞ্চলতা আর সবাইকে নিয়ে ফটো শুটিং ছিল চোখে পড়ার মতো। অপুদা আর রাখিদির দেরিতে আগমন হলেও প্রাণবন্ততায় মুখর করে রেখেছিলেন সারা দিন। সারা দিনই বারবিকিউ আর নুডলস রান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকা আনোয়ার ভাই আর ভাবি সব শেষে হাজির হয়েছিলেন বিংগু খেলার আসর সাজিয়ে। সবাই কিছু না কিছু উপহার পেয়ে যার পর নাই খুশি। হঠাৎ রফিক ভাইয়ের ভরাট গলায় গেয়ে ওঠা বাংলা ছবির প্যারোডি গান সবার দৃষ্টি ফেরায় তাঁর দিকে। আনন্দে আড্ডায় পাহাড় ঘেরা স্পোর্টস ক্লাবে কখন যেন নেমে আসে সন্ধ্যা।



Good news
ReplyDelete