মিয়ানমার সরকার সে দেশে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন চালানোর মতো অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে দুটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। সরকারের গঠন করা তদন্ত কমিশন রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর এই অভিযোগ উঠল।
অভিযোগ করা সংস্থা দুটি হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির সরকারের নিয়োগ করা কমিশন গত বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন এক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়। এদিকে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের পুলিশ মারধর করছে—এমন একটি ভিডিও প্রকাশের কয়েক দিন পার হলেও এখনো কর্তৃপক্ষ পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
সরকারি কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মংডু অঞ্চলে বাঙালি জনগণ বসবাস করছে। সেখানে ‘মৌলভি’, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ক্রমর্বমান সংখ্যা প্রমাণ করে যে সেখানে গণহত্যা ও ধর্মীয় নিপীড়ন চালানো হয়নি। এ ছাড়া সেনাসদস্যদের হাতে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ‘অপ্রতুল প্রমাণ’ নাগালে আসার কথা জানিয়েছে এই কমিশন।
এ ছাড়া ৯ অক্টোবরের আগে মিয়ানমারে যারা খাদ্য সাহায্য-সহায়তা পেত, তারা তা আর পাচ্ছে না বলে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘ওই এলাকায় মাছ ধরা ও চাষাবাদের অনুকূল পরিবেশ থাকার কারণে অপুষ্টির কোনো নজির পাওয়া যায়নি।’
ওই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক উপপরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের অপরাধ লুকানোর কৌশলের মতোই তদন্ত প্যানেলও কাজ করেছে, যেমনটা আমরা আশঙ্কা করেছিলাম।’ রবার্টসন আরও বলেন, মসজিদ দেখে যেই কমিশন রোহিঙ্গা নির্যাতন হয়নি বলে প্রতিবেদন দেয়, এটি তাঁর কাছে ‘বিস্ময়কর’ ঠেকে।
ফোরটিফাই রাইটস-এর প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, মিয়ানমারের সেনারা নৃশংস অপরাধ করেছে এবং এই কমিশন তা লুকানোর চেষ্টা করছে। সু চির দেখানো পথে মন্ত্রীরাও প্রত্যাখ্যানের পথ অনুসরণ করেছেন। তাঁরা লজ্জাজনক প্রচারণা কৌশলে জড়িয়েছেন।
উল্লেখ্য, রাখাইন রাজ্যের সীমান্তে গত ৯ অক্টোবর তল্লাশিচৌকিতে অস্ত্রধারীদের হামলায় দেশটির নয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। এর জন্য মিয়ানমার সরকার দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের দায়ী করে। সেই সময় থেকে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচুর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযানে অন্তত ৮৬ জন নিহত ও আনুমানিক ৩৪ হাজার লোক বাংলাদেশ সীমান্তে পাড়ি জমিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে অং সান সু চি তল্লাশিচৌকিতে হামলার তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
অভিযোগ করা সংস্থা দুটি হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির সরকারের নিয়োগ করা কমিশন গত বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন এক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়। এদিকে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের পুলিশ মারধর করছে—এমন একটি ভিডিও প্রকাশের কয়েক দিন পার হলেও এখনো কর্তৃপক্ষ পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
সরকারি কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মংডু অঞ্চলে বাঙালি জনগণ বসবাস করছে। সেখানে ‘মৌলভি’, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ক্রমর্বমান সংখ্যা প্রমাণ করে যে সেখানে গণহত্যা ও ধর্মীয় নিপীড়ন চালানো হয়নি। এ ছাড়া সেনাসদস্যদের হাতে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ‘অপ্রতুল প্রমাণ’ নাগালে আসার কথা জানিয়েছে এই কমিশন।
এ ছাড়া ৯ অক্টোবরের আগে মিয়ানমারে যারা খাদ্য সাহায্য-সহায়তা পেত, তারা তা আর পাচ্ছে না বলে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘ওই এলাকায় মাছ ধরা ও চাষাবাদের অনুকূল পরিবেশ থাকার কারণে অপুষ্টির কোনো নজির পাওয়া যায়নি।’
ওই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক উপপরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, ‘মিয়ানমার সরকারের অপরাধ লুকানোর কৌশলের মতোই তদন্ত প্যানেলও কাজ করেছে, যেমনটা আমরা আশঙ্কা করেছিলাম।’ রবার্টসন আরও বলেন, মসজিদ দেখে যেই কমিশন রোহিঙ্গা নির্যাতন হয়নি বলে প্রতিবেদন দেয়, এটি তাঁর কাছে ‘বিস্ময়কর’ ঠেকে।
ফোরটিফাই রাইটস-এর প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, মিয়ানমারের সেনারা নৃশংস অপরাধ করেছে এবং এই কমিশন তা লুকানোর চেষ্টা করছে। সু চির দেখানো পথে মন্ত্রীরাও প্রত্যাখ্যানের পথ অনুসরণ করেছেন। তাঁরা লজ্জাজনক প্রচারণা কৌশলে জড়িয়েছেন।
উল্লেখ্য, রাখাইন রাজ্যের সীমান্তে গত ৯ অক্টোবর তল্লাশিচৌকিতে অস্ত্রধারীদের হামলায় দেশটির নয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। এর জন্য মিয়ানমার সরকার দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের দায়ী করে। সেই সময় থেকে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচুর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযানে অন্তত ৮৬ জন নিহত ও আনুমানিক ৩৪ হাজার লোক বাংলাদেশ সীমান্তে পাড়ি জমিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে অং সান সু চি তল্লাশিচৌকিতে হামলার তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দেন।


0 comments:
Post a Comment