শুষ্ক ত্বকের নানা সমস্যা
শীতে ত্বকের বাহ্যিক কোষগুলো শুকিয়ে আসে। আর ত্বকের মধ্যেই পরতে পরতে জমতে থাকে। মৃত কোষ জমে গেলে কমবেশি সবার ত্বকই মলিন হয়ে ওঠে। এর মধ্যেও তৈরি হয় পার্থক্য, ত্বকের ধরনে ভিন্নতার কারণে। সবার ত্বকেই কমবেশি তেলগ্রন্থি থাকে। প্রতিদিনের কাজে একটু একটু করে তেলগ্রন্থি তৈরি হয়, যা ত্বকের স্বাভাবিক নমনীয়তা ধরে রাখে। যাদের তেলগ্রন্থি তুলনামূলক কম থাকে, তাদের ত্বকই মূলত শুষ্ক হয়ে ওঠে। রুক্ষ আবহাওয়া, সাবানের ক্ষার, ডিটারজেন্ট কিংবা অ্যাসিড মেশানো উপাদান নিয়ে যাঁরা প্রতিদিন কাজ করেন, তাঁদের প্রত্যেকেই শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। আর সমস্যাগুলোও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয় মোটেই। সারাক্ষণ খসখসে অস্বস্তি, র্যাশ, চুলকানির ভাব, সাদাটে দাগ, দ্রুত আঁচড় পড়ে যাওয়া, সামান্য খোঁচাতেও ঘা হওয়া শুষ্ক ত্বকের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। সবচেয়ে খারাপ সমস্যাটি সম্ভবত বলিরেখার, যেটা বয়স না হতেই প্রকট হয়ে উঠতে থাকে। আবার শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই কনুই, গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফাটা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। বংশগত কারণ কিংবা চর্মরোগ না থাকলেও শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের ত্বক সাধারণ নিয়মেই এমন সমস্যা তৈরি করতে থাকে


0 comments:
Post a Comment