সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে বাংলাদেশ। কলিন মানরোর প্রথম সেঞ্চুরি ও টম ব্রুসের প্রথম ফিফটিতে ৭ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৭৪ কিংবা এর বেশি রান তুলে কখনো হারেনি নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশও কখনো ১৬৪-এর বেশি তাড়া করে জেতেনি। কঠিন পরীক্ষা, সন্দেহ নেই। বাংলাদেশ পারবে সিরিজে টিকে থাকতে? পারবে সফরে প্রথম জয়ের মুখ দেখতে?
প্রথম বলেই লুক রনকিকে ফিরিয়ে দেওয়া বাংলাদেশ শুরুটা ভালোই করেছিল। পাওয়ার প্লেতেই ৪৬ রানে তুলে নিয়েছিল ৩ উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই চতুর্থ উইকেটে মানরো-ব্রুসের ১২৩ রানের জুটি। নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড তো বটেই, টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে চতুর্থ উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি এটি। তৃতীয় কিউই ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি তোলার পরেই আউট হয়ে যান মানরো। আগের ম্যাচে অভিষিক্ত ব্রুস শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৫৯ রানে।
৩৭ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ফলো থ্রুতে বল কুড়িয়ে দারুণ একটা রান আউটও করেছেন রুবেল হোসেন। প্রথম বলে আঘাত হানা মাশরাফি পরে ৩৮ রান দিয়ে আর কোনো উইকেট পাননি। সাকিব আল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেনও আক্রমণে এসে নিজেদের প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সাকিব উইলিয়ামসনকে তামিমের ক্যাচ বানান। কোরি অ্যান্ডারসনকে বোল্ড করে দেন মোসাদ্দেক। তাঁরাও উইকেট পাননি পরে।
পাবেন কী করে, এরপরই যে দুর্দান্ত সেই জুটি। যেটি ভাঙতে ১৬.৪ ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। রুবেলই মানরোকে ফিরিয়ে জুটিটা ভাঙেন। পরে ডি গ্রান্ডহোম ও নিশমকেও ফিরিয়েছেন রুবেল।
৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। মোসাদ্দেক ২ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট। মাহমুদউল্লাহ ২ ওভারে দিয়েছেন ৩২ রান। এর মধ্যে তাঁর এক ওভারেই মানরো ২৮ রান তুলেছেন। তিনটি ছয় ও দুটি চার মেরে ওই ওভারে দ্রুত ষাটের ঘর থেকে নব্বইয়ে পৌঁছে যান এর আগে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেও মাত্র একটি সেঞ্চুরি করা মানরো।
শেষের দিকে রুবেল প্রতিরোধ না গড়লে ২০০-ই পেরোত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ। তবে নিউজিল্যান্ড যা তুলেছে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের এই দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামে, সেটাই বাংলাদেশের জন্য পাহাড় ডিঙানোর সমান। বাংলাদেশ পারবে?
প্রথম বলেই লুক রনকিকে ফিরিয়ে দেওয়া বাংলাদেশ শুরুটা ভালোই করেছিল। পাওয়ার প্লেতেই ৪৬ রানে তুলে নিয়েছিল ৩ উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই চতুর্থ উইকেটে মানরো-ব্রুসের ১২৩ রানের জুটি। নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড তো বটেই, টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে চতুর্থ উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি এটি। তৃতীয় কিউই ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি তোলার পরেই আউট হয়ে যান মানরো। আগের ম্যাচে অভিষিক্ত ব্রুস শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৫৯ রানে।
৩৭ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ফলো থ্রুতে বল কুড়িয়ে দারুণ একটা রান আউটও করেছেন রুবেল হোসেন। প্রথম বলে আঘাত হানা মাশরাফি পরে ৩৮ রান দিয়ে আর কোনো উইকেট পাননি। সাকিব আল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেনও আক্রমণে এসে নিজেদের প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সাকিব উইলিয়ামসনকে তামিমের ক্যাচ বানান। কোরি অ্যান্ডারসনকে বোল্ড করে দেন মোসাদ্দেক। তাঁরাও উইকেট পাননি পরে।
পাবেন কী করে, এরপরই যে দুর্দান্ত সেই জুটি। যেটি ভাঙতে ১৬.৪ ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। রুবেলই মানরোকে ফিরিয়ে জুটিটা ভাঙেন। পরে ডি গ্রান্ডহোম ও নিশমকেও ফিরিয়েছেন রুবেল।
৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। মোসাদ্দেক ২ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট। মাহমুদউল্লাহ ২ ওভারে দিয়েছেন ৩২ রান। এর মধ্যে তাঁর এক ওভারেই মানরো ২৮ রান তুলেছেন। তিনটি ছয় ও দুটি চার মেরে ওই ওভারে দ্রুত ষাটের ঘর থেকে নব্বইয়ে পৌঁছে যান এর আগে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেও মাত্র একটি সেঞ্চুরি করা মানরো।
শেষের দিকে রুবেল প্রতিরোধ না গড়লে ২০০-ই পেরোত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ। তবে নিউজিল্যান্ড যা তুলেছে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের এই দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামে, সেটাই বাংলাদেশের জন্য পাহাড় ডিঙানোর সমান। বাংলাদেশ পারবে?


0 comments:
Post a Comment